চ্যাম্পিয়ন চীনের সঙ্গে লড়াই করে হারল বাংলাদেশ
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬
সিডনির কমব্যাংক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই উইং দিয়ে আক্রমণ শানাতে থাকে চীন। চতুর্থ মিনিটেই প্রথম কর্নার আদায় করে নেয় তারা। তবে গোলরক্ষক মিলি ও ডিফেন্ডার নবীরুনদের দৃঢ়তায় শুরুর চাপ দারুণভাবে সামাল দেয় বাংলাদেশ। ১৮তম মিনিটে বক্সে জটলার ভেতর থেকে চীনের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ওয়াং সুয়াংয়ের নেওয়া একটি শট পোস্টে ঢোকার ঠিক আগমুহূর্তে ডাইভ দিয়ে গোললাইন থেকে বাঁচান ডিফেন্ডার শিউলি আজিম। ২৪ মিনিটে জিন কুনের ক্রস থেকে ওয়াং সুয়াং হেডে বল জালে জড়ালেও ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
শারীরিক সামর্থ্যে পিছিয়ে থাকলেও ৪৪ মিনিট পর্যন্ত চীনের আক্রমণ দারুণভাবে রুখে দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ৪৪ মিনিটের সময় বক্সের বাইরে থেকে বাতাসে ভাসানো শটে গোল করে চীনকে এগিয়ে দেন দলটির সর্বোচ্চ গোলদাতা ওয়াং সুয়াং। পরের মিনিটেই (৪৬ মিনিট) ঝাং রুইয়ের শট বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে জালে জড়ালে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
মাঝমাঠে দাপট দেখাতে না পারলেও গোলরক্ষক মিলি ছিলেন বেশ সতর্ক। ৬৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে চীনের ডিফেন্ডার ঝ্যাং চেনগুয়ের একটি দূরপাল্লার শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন তিনি। ৭৪ মিনিটে বাংলাদেশের একটি কর্নারকে কেন্দ্র করে বক্সে শামসুন্নাহার জুনিয়রকে ফেলে দেন লিউ ইয়াটং। ভিএআর চেকে পেনাল্টির আবেদন করলেও রেফারি জানান, সেটি পেনাল্টি দেওয়ার মতো অপরাধ ছিল না।
ম্যাচের ৮৬ মিনিটে নাকে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন বদলি নামা হালিমা। তার জায়গায় কোচ মাঠে নামান সুইডেন প্রবাসী মিডফিল্ডার আনিকা রানিয়াকে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়ে গেল এই বংশোদ্ভূত ফুটবলারের। ৮ মিনিটের যোগ করা সময়ে উভয় দলই বেশ কিছু চেষ্টা করলেও আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ২-০ ব্যবধানের হার নিয়েই এশিয়ান কাপের যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশ।
