বিএনপি, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ার যে ব্যাখ্যা দিল
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৩:১৯
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বিএনপির নবনির্বাচিতরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। এর ব্যাখ্যায় দলটির পক্ষ থেকে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সালাহউদ্দিন। সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই শপথ পাঠ করানোর জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) এখতিয়ার নেই।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিদ্যমান সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে ২(ক)-তে বলা আছে, স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার যদি শপথ পাঠ করাতে না পারেন, অপারগতা প্রকাশ করেন বা পাওয়া না যায়, তাহলে তাদের মনোনীত প্রতিনিধি তিনদিনের মধ্যে শপথ পড়াবেন। সেটি না হলে পরের তিনদিনের মধ্যে সিইসি শপথ পাঠ করাবেন। ‘বিধান অনুযায়ী সিইসি সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে শপথ পাঠ করিয়েছেন। এখানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে কোনো বিধান সংবিধানে নেই এবং ওনার (সিইসি) শপথ পাঠ করানোরও এখতিয়ার নেই। সে বিবেচনায় উনি শপথ পড়ানোর জন্য অ্যাপ্রোচ করেননি, আমরাও শপথগ্রহণ করিনি।’ -বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এমন ফরম সংবিধানের তৃতীয় তপশিলে আসবে। সেগুলো সাংবিধানিকভাবে সংসদে গৃহীত হওয়ার পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলেছি। আশা করি সামনের দিনেও চলবো।’দলের সভা শেষে গণভোট প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, গণভোটের রায় অনুসারে জনগণের যে ইচ্ছা, সেটির প্রতিফলন ঘটাতে হলে আগে সংসদে যেতে হবে। সংসদে প্রয়োজনী আইন এবং সংবিধান সংশোধন করতে হবে। জুলাই জাতীয় সনদ রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটা অক্ষরে অক্ষরে প্রতিপালন করতে আমরা অঙ্গিকারাবন্ধ, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
