থানায় নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ইরার কবরের সামনে কেঁদে ক্ষমা চাইছেন বাবা মনিরুল
প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার ছোট কুমিরা মাস্টারপাড়ায় ইরাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, মনিরুলের পরিবার চলে রিকশা ও ভ্যানগাড়ি চালিয়ে। ইরার অনুপস্থিতি স্বজনসহ প্রতিবেশীদেরও এখন কষ্ট দিচ্ছে। প্রতিবেশীরা সান্ত্বনা দিচ্ছেন ইরার বাবা-মা ও ভাইবোনদের। অঝোরে কাঁদছেন সত্তরোর্ধ্ব দাদি রহিমা বেগম।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোররাতে ইরা যখন মারা যায়, তখন চাচা রমিজ উদ্দিনসহ অনেকেই ওখানে উপস্থিত ছিলেন। সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছিল ইরার চাচা। তখন মনিরুল বাড়িতে ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে মনিরুল বাড়িতে মেয়ের লাশের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু ৩টার দিকে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের আরেকটি দল এসে মনিরুলকে নিয়ে যায়। এর মধ্যেই বাড়িতে এসে পৌঁছায় ইরার লাশ। পরে মনিরুলের অনুপস্থিতিতেই জানাজা ও দাফন হয় ইরার। মনিরুল অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার তাঁকে থানাতে নিয়ে ওসির কক্ষে নির্যাতন ও মারধর করা হয়।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, আসামি বাবু শেখ মেয়ের বাবা ঘটনায় জড়িত বলায় তাকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। যেই মাত্র জড়িত আসামির বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণ পেয়েছি, তখনই মনিরুল ইসলামকে আমি মেয়ের জানাজায় অংশ নিতে গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছি। মনিরুলকে থানায় মারধর নির্যতনের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।
