ইরানে মার্কিন–ইসরায়েলি আগ্রাসন: প্রগতিশীল যুব সংগঠনগুলোর নিন্দা
প্রকাশ: ০৩ মার্চ ২০২৬
নেতৃবৃন্দ বলেন, এই হামলা কেবল একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়; এটি সমগ্র তৃতীয় বিশ্বের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের ওপর নগ্ন হামলা।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের কিছু মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনে সম্মতি দিয়ে কার্যত সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের সহায়ক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এ ধরনের তাবেদারি নীতি কেবল আঞ্চলিক অস্থিরতাই বাড়াচ্ছে না, বরং জনগণের জীবনকেও নিরাপত্তাহীনতা বিশ্বাসঘাতকতার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দেশে দেশে তথাকথিত ‘রেজিম চেঞ্জ’ কৌশল হচ্ছে অর্থায়ন, নিষেধাজ্ঞা, সাইবার ও প্রক্সি যুদ্ধ-মূলত স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের রাজনৈতিক কাঠামো ভেঙে দিয়ে পুতুল সরকার প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা। এটি আধুনিক উপনিবেশবাদী পুনর্বিন্যাস ছাড়া আর কিছু নয়। এই যুদ্ধবাদী নীতি অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে মানবসভ্যতাকে যে ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিবে সেটা নিশ্চিত।
প্রগতিশীল যুব নেতৃবৃন্দ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, সার্বভৌমত্ববিরোধী সামরিক আগ্রাসন, অর্থনৈতিক অবরোধ ও সাম্রাজ্যবাদী খবরদারি বিশ্ববাসী মেনে নেবে না। তারা অবিলম্বে ইরানের বিরুদ্ধে সকল প্রকার সামরিক তৎপরতা বন্ধের দাবি জানান এবং সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধনীতির বিরুদ্ধে পৃথিবীর দেশে দেশে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বিবৃতিতে সই করেন বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর সভাপতি তৌহিদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি শরিফুল কবির স্বপন ও সাধারণ সম্পাদক সরিফুল ইসলাম সুজন, যুব আন্দোলনের সভাপতি মুশাহিদ আহমেদ এবং জাতীয় যুব ঐক্যের সভাপতি মিনহাজ সেলিম।
