দিল্লিতে কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’ সমাবেশ ভোট কারচুপি ও এসআইআর বিরোধী প্রচার আরও জোরদার
প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৮:৫৬
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর অনুসারে, সংসদে নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডার কয়েক দিনের মধ্যেই ‘ভোট চোর, গদি ছাড়ো’ স্লোগানে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো। সারাদেশ থেকে কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা এই মহাসমাবেশে যোগ দিতে দিল্লিতে এসেছেন।
সমাবেশে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, বিজেপির নেতারা শুধু নাটকই করেন। সংসদ অধিবেশন শেষে রাহুল গান্ধী বিদেশ যাবেন কিনা– এ নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলেন। সমাবেশে ভোট চুরি সংবিধানের ওপর সবচেয়ে বড় আক্রমণ বলে মন্তব্য করেন কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দল নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, কিছুটা সময় লাগতে পারে; কিন্তু ভারতে সত্যের জয় হবেই।
আমরা সত্যের পথ অনুসরণ করি এবং আমরা তাদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেব। প্রধানমন্ত্রী মোদির আত্মবিশ্বাস নড়ে উঠেছে, কারণ তারা জানে যে, তাদের ভোট চুরি ধরা পড়েছে। ভোট চুরি ভারতের সংবিধানের ওপর সবচেয়ে বড় আক্রমণ। আমরা অভিযোগ তুলেছিলাম, ভোটার তালিকায় একজন ব্রাজিলিয়ান নারীর নাম কীভাবে থাকতে পারে? একটি বাড়িতে ৫০০-৬০০ ভোটার কীভাবে থাকতে পারে? হরিয়ানায় উত্তরপ্রদেশের নেতারা কীভাবে ভোট দিতে পারেন? আমরা এ বিষয়ে কোনো উত্তর পাইনি। সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যার হাত কাঁপছিল, তিনি এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন। তারা ততক্ষণ পর্যন্ত সাহসী, যতক্ষণ তারা ক্ষমতায় থাকে।
এদিকে, মহাসমাবেশের আগে দেওয়া স্লোগান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে, কংগ্রেসের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নির্মূল করা। সংবাদ সংস্থা আইএএনএস প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, কংগ্রেসের কিছু কর্মী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন এবং তাঁর শাসনের অবসান হবে– এমন কথাও বলছেন। এ নিয়ে এক্সে দেওয়া পোস্টে বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, ‘এখন এজেন্ডা পরিষ্কার। এটা এসআইআর (ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন) নিয়ে নয়; এটা সংবিধানের ওপর আঘাত। এসআইআরের নামে কি তারা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নির্মূল করতে চায়? সম্প্রতি রাহুল গান্ধী নির্বাচন কমিশনকেও হুমকি দিয়েছেন। এ পর্যন্ত কংগ্রেস ১৫০ বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গালাগাল করেছে।’
